০২:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

বরুড়ায় মাদক ও জুয়া বিরোধী সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • 118

স্টাফ রিপোর্টার:
বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের গণকখুলি ঈদগাঁও মাঠে গণকখুলি ইসলামি সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে “মাদক ও জুয়া বিরোধী সচেতনতা ও আলোচনা সভা” অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনসাধারণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে এক প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণকখুলি ইসলামি সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি ফয়সাল ইসলাম পাটোয়ারী সুমন। সভাটি সঞ্চালনা করেন বরুড়া উপজেলা অফিসার্স ফোরামের আহ্বায়ক ও ব্যাংকার নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী। অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন গনকখুলি ইসলামি সমাজ কল্যাণ পরিষদের কর্মকর্তারা।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পেরপেটি হাই স্কুলের শিক্ষক মোস্তফা বিএসসি। এরপর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বরুড়ার কৃতি সন্তান মোঃ আবু নাছির। তিনি বলেন, “মাদক ও জুয়া একটি পরিবারকে যেমন ধ্বংস করে, তেমনি পুরো সমাজের শান্তি নষ্ট করে দেয়। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, “অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে—ছেলে-মেয়েরা কার সঙ্গে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে, পড়াশোনায় মনোযোগ দিচ্ছে কিনা—এসব বিষয়ে নজর রাখতে হবে। সন্তানদের মোবাইল ও সামাজিক মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানো থেকে বিরত রাখতে হবে। পরিবারই হলো সচেতনতার প্রথম বিদ্যালয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নু এমং মারমা মং। তিনি বলেন,“মাদক ও জুয়া সমাজের শত্রু। এ থেকে মুক্ত থাকতে হলে পরিবার থেকেই সচেতনতা শুরু করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকল্প নেই।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনগণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

সুবিধাবঞ্চিত ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘দুর্বার বাংলাদেশ’

বরুড়ায় মাদক ও জুয়া বিরোধী সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:
বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের গণকখুলি ঈদগাঁও মাঠে গণকখুলি ইসলামি সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে “মাদক ও জুয়া বিরোধী সচেতনতা ও আলোচনা সভা” অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনসাধারণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে এক প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণকখুলি ইসলামি সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি ফয়সাল ইসলাম পাটোয়ারী সুমন। সভাটি সঞ্চালনা করেন বরুড়া উপজেলা অফিসার্স ফোরামের আহ্বায়ক ও ব্যাংকার নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী। অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন গনকখুলি ইসলামি সমাজ কল্যাণ পরিষদের কর্মকর্তারা।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পেরপেটি হাই স্কুলের শিক্ষক মোস্তফা বিএসসি। এরপর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বরুড়ার কৃতি সন্তান মোঃ আবু নাছির। তিনি বলেন, “মাদক ও জুয়া একটি পরিবারকে যেমন ধ্বংস করে, তেমনি পুরো সমাজের শান্তি নষ্ট করে দেয়। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, “অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে—ছেলে-মেয়েরা কার সঙ্গে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে, পড়াশোনায় মনোযোগ দিচ্ছে কিনা—এসব বিষয়ে নজর রাখতে হবে। সন্তানদের মোবাইল ও সামাজিক মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানো থেকে বিরত রাখতে হবে। পরিবারই হলো সচেতনতার প্রথম বিদ্যালয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নু এমং মারমা মং। তিনি বলেন,“মাদক ও জুয়া সমাজের শত্রু। এ থেকে মুক্ত থাকতে হলে পরিবার থেকেই সচেতনতা শুরু করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকল্প নেই।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনগণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।